আমাদের দেশের ব্যবসায়ী, ছোট-খাট কোম্পানির জন্য অথবা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য অনেকেরই ওয়েবসাইট তৈরির প্রয়োজন পড়ে। সেই ওয়েবসাইট তৈরি করতে আমাদের কোনো না কোনো হোস্টিং কোম্পানির সাহায্য নিতে হয়। আজকে আমরা এমন কিছু ডোমেইন ও হোস্টিং কোম্পানির নাম জানবো যারা আমাদের দেশেই রয়েছে। এমনকি, দেশেই তাদেরকে পেমেন্ট দেয়ার খুব সহজ উপায় রয়েছে।

বিশ্ব সেরা ওয়েব হোস্টিং কোম্পানী তাদের সার্ভিসে ডোমেইন এবং হোস্টিং দুই সেবাই দিয়ে থাকে। কিন্তু আমরা পেমেন্ট করা নিয়ে সমস্যায় পড়ে যাই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাইরের দেশের কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে অনেকে সার্ভিস নিয়ে থাকে এবং তাদের সার্ভিসও যথেষ্ট ভালো। তবে ঝামেলা হয় পেমেন্ট অপশন নিয়ে।

অনেকেরই পেপাল বা ক্রেডিট কার্ড থাকে না। সেক্ষেত্রে অর্থের সমস্যা না থাকলেও এই পেমেন্টের কারণে অনেকেরই ওয়েব হোস্টিংয়ের বিষয়টি নিয়ে খুব ভোগান্তি হয়ে থাকে। তাই, নির্ভরযোগ্য এবং পেমেন্ট সুবিধার জন্য আমাদের দেশের ট্রাস্টেড ওয়েব হোস্টিং কোম্পনিগুলোর থেকে সার্ভিস নেওয়া ভালো।

বাংলাদেশের ট্রাস্টেড ডোমেইন ও হোস্টিং কোম্পানি

এখন অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, আমাদের দেশের ওয়েব হোস্টিং প্রদানকারী কোম্পানিগুলো যদি প্রতারণা করে, তবে কি হবে? এর উত্তর: আমাদের দেশের অনেক ট্রাস্টেড ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা ডোমেইন এবং হোস্টিং সুবিধা দেয় এবং তাদের কাছ থেকে অনেকেই সার্ভিস নিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরেই।

আর প্রতিনিয়তই এ-সব কোম্পানী থেকে বহু প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ীক কোম্পানিরা ডোমেইন ও হোস্টিং সার্ভিস নিচ্ছে। তাহলে তারা কি তাদের সার্ভিস বন্ধ করে হুট করেই চলে যাবে? নিশ্চয়ই না, কারণ তাদেরকে ব্যবসা চালিয়ে যেতে হলে প্রতারণা থেকে দূরে থাকতে হবে। আর তাছাড়া, আমি যে কোম্পানীগুলোর কথা বলছি, তারা সততার জন্যে ইতিমধ্যেই মানুষের আস্থা অর্জণ করে নিয়েছে।

নোট: এরপরও এখানকার যে কোন কোম্পানী থেকে ডোমেইন বা ওয়েবসাইটের জন্যে হোস্টিং কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি কি কি পাচ্ছেন। আর কেনার পর অবশ্যই আপনার প্রাপ্য সবকিছু বুঝে নিন। বিশেষ করে সি-প্যানেলের অ্যাক্সেস যেন আপনার হাতেই থাকে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *